*/

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামীমা সাত্তার মিমো আর নেই ।

 জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামীমা সাত্তার মিমো আর নেই। শুক্রবার রাতে রাজধানী ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাবেক-অ্যাথলেট-শামীমা-সাওার-মিমো

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদ্‌রোগ ও ভার্টিগো সমস্যায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস আগে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চলাফেরা ও মানুষ চিনতে সমস্যাও দেখা দেয়। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে আবারও ক্রীড়াঙ্গনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তবে সেই প্রত্যাবর্তন আর দীর্ঘস্থায়ী হলো না। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ দিনাজপুরে নিয়ে গিয়ে বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে।

স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসে অন্যতম উজ্জ্বল নাম ছিলেন শামীমা সাত্তার মিমো। জাতীয় পর্যায়ে হাই জাম্প ইভেন্টে তিনি দীর্ঘদিন আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন। পাশাপাশি স্প্রিন্ট ইভেন্টেও একাধিক পদক অর্জন করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০০ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত হন।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হওয়ার পরও তিনি ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। কোচ, জাজ ও সংগঠক হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোচ হিসেবে কাজ করেন। পরে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-এ উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিকেএসপিতে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন-এর সদস্য হিসেবেও কাজ করেন। দীর্ঘ সময় তিনি অ্যাথলেটিকসের জাজ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর মৃত্যুতে দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

My Teach Info এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url